করোনা: অনলাইন স্ট্রিমিংয়ে বাড়ছে দর্শক

২১ মার্চ, ২০২০ ১৮:২৯  
ইন্টারনেট দুনিয়ায় বিনোদনের নতুন মাধ্যম অনলাইন স্ট্রিমিং (অ্যাপস ও ওয়েবসাইট) সেবা। দেশে দিন দিন এই মাধ্যমের দর্শক সংখ্যা বাড়ছে। একটি জরিপে দেখা গেছে, গত দুই বছরে অনলাইন ভিডিও এবং স্ট্রিমিং সার্ভিসের দর্শক সংখ্যা ১১ শতাংশ বেড়েছে (যদিও টেলিভিশনে বেড়েছে ৩ শতাংশ)। আর এজন্য ব্যবহার হচ্ছে দেশের মোট ব্যান্ডউইথের প্রায় ৪০ শতাংশ। বিশ্বে প্রায় ১৮০ টি দেশে ছড়িয়ে পড়েছে করোনাভাইরাস। এই ভাইরাসের এখনো কোন ঔষুধ তৈরি হয়নি। বলা হচ্ছে বাসাতে থাকতে, বাহিরে না বের হওয়ার জন্য। বাসায় থেকে বসে কাজ করতে। কোটি কোটি মানুষ এখন বাসায় বসে আছে। আর তারা অনলাইন স্ট্রিমিংয়ে সব ধরনের তথ্য আদান-প্রদান করছেন। আগের থেকে কয়েকগুণ বেশি মানুষ অনলাইন স্ট্রিমিংয়ের উপর নির্ভর। স্ট্রিমিং সেবা ব্রডব্যান্ড ও মোবাইল ইন্টারনেট দুই মাধ্যমেই দেখা যায়। দেশের ইন্টারনেট সেবাদাতা প্রতিষ্ঠানগুলো (আইএসপি) এজন্য বিভিন্ন ধরনের প্যাকেজ অফার করে থাকে। ডেস্কটপ, ল্যাপটপ নির্ভর অ্যাপসের মাধ্যমেও এসব দেখা যায়। অন্যদিকে মোবাইল অপারেটরগুলোরও রয়েছে এ ধরনের সেবা। টাকা দিয়ে এবং বিনামূল্যে অনুষ্ঠান দেখার সুযোগ দিচ্ছে অপারেটরগুলো। দেশে বর্তমানে আন্তর্জাতিক ভিডিও স্ট্রিমিং সেবা নেটফ্লিক্স, হইচই, জি-ফাইভ, আইফ্লিক্স, রেডিয়ান আইপিটিভি ইত্যাদি এবং দেশীয়গুলোর মধ্যে গ্রামীণফোনের বায়োস্কোপ, রবির রবি টিভি প্লাস, বাংলালিংকের ভাইব, বাংলাফ্লিক্স, বেস্ট ওটিটি ইত্যাদি বেশ জনপ্রিয়তা পেয়েছে। আন্তর্জাতিক গণমাধ্যম গবেষণা প্রতিষ্ঠান (ইন্টারন্যাশনাল মিডিয়া রিসার্চ এজেন্সি) কান্তার-এর একটি জরিপের ফল (২০১৮ সালে প্রকাশিত) থেকে জানা গেছে, বাংলাদেশে ২০০৮ সালে দেশের মোট ইন্টারনেট ব্যবহারকারীর মাত্র ১ শতাংশ ছিল ভিডিও স্ট্রিমিং সার্ভিসের দর্শক। ২০১০ সালে যা ছিল ২, ২০১২ সালে ৪, ২০১৪ সালে ৮, ২০১৬ সালে ১৫ এবং ২০১৮ সালে ছিল ২৬ শতাংশ। সংস্থাটি প্রতি দুই বছর পরপর এই জরিপ পরিচালনা করে। জানা গেছে এখন প্রায় ৫০ শতাংশ মানুষ বিশ্বে অনলাইন স্ট্রিমিংয়ের উপর নির্ভর।